সিগাটোগা কোন ফসলের রোগ
কলা বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ফল, কিন্তু এর উৎপাদন ব্যাহত করার পেছনে যে রোগটি
সবচেয়ে বেশি দায়ী, তা হলো সিগাটোগা লিফ স্পট। এটি মূলত এক প্রকার ছত্রাকজনিত
সমস্যা যা কলার পাতা দ্রুত ধ্বংস করে ফেলে। সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে এটি পুরো
বাগান উজাড় করে দিতে পারে।
নিচে সিগাটোগা রোগের লক্ষণ, কারণ এবং প্রতিকার নিয়ে একটি বিস্তারিত নিবন্ধ দেওয়া
হলো:
পেজ সূচিপত্র:সিগাটোগা কোন ফসলের রোগ
- সিগাটোগা রোগের পরিচয় ও ভয়াবহতা
- সিগাটোগা রোগের সংক্রমণের কারণসমূহ
- রোগের প্রাথমিক লক্ষণ ও সনাক্তকরণ
- হলুদ ও কালো সিগাটোগার মধ্যে পার্থক্য
- কলার ফলন ও গুণগতমানের ওপর প্রভাব
- চাষাবাদ পদ্ধতির মাধ্যমে প্রতিরোধ ব্যবস্থা
- জৈবিক নিয়ন্ত্রণ ও প্রাকৃতিক প্রতিকার
- রাসায়নিক দমন ও সঠিক ওষুধ প্রয়োগ
- রোগ প্রতিরোধী জাতের ব্যবহার ও ভবিষ্যৎ
- কৃষকদের সচেতনতা ও প্রশিক্ষণের গুরুত্ব
- উপসংহার
১. সিগাটোগা রোগের পরিচয় ও ভয়াবহতা
সিগাটোগা হলো কলা গাছের পাতার একটি অত্যন্ত পরিচিত এবং বিধ্বংসী ছত্রাকজনিত রোগ।
এটি সাধারণত ‘মাইকোস্ফেরেলা মিউসিকোলা’ নামক এক ধরণের ক্ষতিকর ছত্রাকের আক্রমণে
হয়ে থাকে। বিশ্বজুড়ে যেখানেই কলার বাণিজ্যিক চাষ হয়, সেখানেই এই রোগের
প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। এই রোগটি মূলত দুই প্রকারের হয়ে থাকে, যথা— হলুদ সিগাটোগা
এবং ব্ল্যাক সিগাটোগা। এটি গাছের সালোকসংশ্লেষণ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, ফলে গাছের
বৃদ্ধি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। আক্রান্ত গাছ থেকে ভালো মানের ফলন পাওয়া প্রায়
অসম্ভব হয়ে পড়ে চাষিদের জন্য। সময়মতো প্রতিকার না করলে পুরো বাগানের ফসল নষ্ট
হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। এই রোগটি কলার গুণগত মান এবং বাজারের দাম দুটিই কমিয়ে দেয়
অনেকখানি। তাই কলা চাষিদের কাছে সিগাটোগা এক আতঙ্কের নাম হিসেবে পরিচিত হয়ে আছে।
২. সিগাটোগা রোগের সংক্রমণের কারণসমূহ
অতিরিক্ত আর্দ্রতা এবং উচ্চ তাপমাত্রা এই ছত্রাক ছড়ানোর প্রধান সহায়ক শক্তি
হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে বর্ষাকালে যখন বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে,
তখন এটি দ্রুত ছড়ায়। ঘন করে কলা গাছ রোপণ করলে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করতে পারে
না। ফলে আর্দ্রতা বেড়ে গিয়ে ছত্রাকের জন্য এক আদর্শ পরিবেশ তৈরি হয়ে যায়। জমিতে
জলাবদ্ধতা থাকলে বা পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা খারাপ হলেও এই রোগটি বাড়ে। এছাড়া
বাতাসের মাধ্যমে আক্রান্ত পাতা থেকে সুস্থ পাতায় ছত্রাকের রেণু ছড়িয়ে পড়ে। দূষিত
কৃষি সরঞ্জাম ব্যবহার করলেও এক বাগান থেকে অন্য বাগানে রোগটি ছড়াতে পারে।
রোগাক্রান্ত চারা রোপণ করা এই সমস্যা শুরু হওয়ার অন্যতম বড় একটি কারণ। মাটির
স্বাস্থ্য ভালো না থাকলেও গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গিয়ে সংক্রমণ সহজ হয়।
৩. রোগের প্রাথমিক লক্ষণ ও শনাক্তকরণ
সিগাটোগা রোগের প্রথম লক্ষণ সাধারণত গাছের নিচের দিকের বয়স্ক পাতাগুলোতে দেখা
যায়। আক্রান্ত পাতার ওপর ছোট ছোট হলদেটে দাগ বা সূক্ষ্ম রেখা দেখা দিতে থাকে।
সময়ের সাথে সাথে এই দাগগুলো আকারে বড় হয়ে বাদামী রঙ ধারণ করতে শুরু করে। দাগগুলো
ধীরে ধীরে লম্বাটে হয়ে চোখের আকৃতির মতো রূপ ধারণ করে থাকে। প্রতিটি দাগের
মাঝখানে সাধারণত ধূসর রঙ এবং চারদিকে হলদে বলয় দেখা যায়। সংক্রমণ বাড়লে অনেকগুলো
দাগ একসাথে মিশে গিয়ে বড় ক্ষতের সৃষ্টি করে থাকে। এতে পাতার টিস্যু মরে যায় এবং
পুরো পাতাটি ধীরে ধীরে পুড়ে যাওয়ার মতো দেখায়। আক্রান্ত পাতাগুলো অকালেই শুকিয়ে
যায় এবং গাছ দুর্বল হয়ে নিচের দিকে ঝুলে পড়ে। নতুন পাতা বের হওয়ার আগেই পুরোনো
পাতা মরে গেলে গাছ আর বাড়তে পারে না। সঠিক সময়ে এই লক্ষণগুলো চিনতে পারা সফল
দমনের জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি কাজ।
৪. হলুদ ও কালো সিগাটোগার মধ্যে পার্থক্য
হলুদ সিগাটোগা এবং কালো বা ব্ল্যাক সিগাটোগার মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য লক্ষ্য
করা যায়। হলুদ সিগাটোগার দাগগুলো তুলনামূলক হালকা এবং এটি কম আক্রমণাত্মক
প্রকৃতির হয়ে থাকে। অন্যদিকে ব্ল্যাক সিগাটোগা অনেক বেশি মারাত্মক এবং এটি দ্রুত
পুরো বাগান ধ্বংস করতে পারে। কালো সিগাটোগার দাগগুলো গাঢ় বাদামী বা কালো রঙের হয়
যা দূর থেকেই চেনা যায়। ব্ল্যাক সিগাটোগা নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেক বেশি কঠিন এবং
ব্যয়বহুল কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়। হলুদ সিগাটোগা সাধারণত ঠান্ডা এবং আর্দ্র
আবহাওয়ায় বেশি প্রভাব বিস্তার করতে দেখা যায়। আবার ব্ল্যাক সিগাটোগা সারা বছরই
সক্রিয় থাকতে পারে যদি পরিবেশ কিছুটা অনুকূলে থাকে। দুটি রোগের ক্ষেত্রেই পাতার
কর্মক্ষমতা নষ্ট হওয়া হলো সাধারণ একটি ফলাফল বা প্রভাব। তবে ব্ল্যাক সিগাটোগার
কারণে কলার ছড়ি বা কান্দি আকারে অনেক ছোট হয়ে যায়। বাণিজ্যিক চাষে ব্ল্যাক
সিগাটোগাকেই সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে গণ্য করা হয় বর্তমানে।
৫. কলার ফলন ও গুণগত মানের ওপর প্রভাব
সিগাটোগা রোগে আক্রান্ত হলে কলার ফলন অভাবনীয় হারে কমে যেতে পারে অনেক ক্ষেত্রে।
যেহেতু পাতাগুলো শুকিয়ে যায়, তাই ফলের পুষ্টি সরবরাহের প্রক্রিয়াটি পুরোপুরি
বাধাগ্রস্ত হয়।
এতে কলার আকার অনেক ছোট হয়ে যায় এবং ফলের গঠন ঠিকমতো হয় না। অনেক
সময় কলা পাকার আগেই গাছ থেকে ঝরে পড়ে বা ফেটে যাওয়ার প্রবণতা দেখায়। কলার ভেতরে
স্বাভাবিক স্বাদ বা মিষ্টি ভাব থাকে না এবং শাঁস শক্ত হয়ে যায়। আক্রান্ত গাছের
কলা বাজারে বিক্রির অযোগ্য হয়ে পড়ে যা চাষির বড় ক্ষতি। রপ্তানিযোগ্য কলার মান এই
রোগের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধস নামাতে পারে। এটি চাষিদের উৎপাদন খরচ
বাড়িয়ে দেয় কারণ ওষুধ কিনতে বাড়তি টাকা লাগে। দীর্ঘমেয়াদে এই রোগ কলার বাগানের
আয়ু কমিয়ে দেয় এবং ফলন ব্যাহত করে। তাই মানসম্মত কলার জন্য সিগাটোগা মুক্ত বাগান
থাকা অপরিহার্য একটি শর্ত।
৬. চাষাবাদ পদ্ধতির মাধ্যমে প্রতিরোধ ব্যবস্থা
সঠিক চাষাবাদ পদ্ধতি অনুসরণ করলে সিগাটোগার আক্রমণ অনেকলাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়।
কলা গাছ রোপণের সময় নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখা উচিত যাতে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস
পায়। ঘন বাগান এই রোগের জন্য স্বর্গরাজ্য, তাই পাতলা করে গাছ লাগানো জরুরি।
বাগানে সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা প্রতিটি চাষির প্রধান দায়িত্ব
হওয়া উচিত। গাছের গোড়ায় যেন পানি না জমে সেদিকে কড়া নজর রাখা খুবই প্রয়োজন।
আক্রান্ত পাতা দেখা মাত্রই তা কেটে পুড়িয়ে ফেলা বা মাটির নিচে পুঁতে ফেলা উচিত।
ড্রেজিং বা নালা কাটার মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত রাখা অত্যন্ত
কার্যকর পদ্ধতি। আগাছা পরিষ্কার রাখলে আর্দ্রতা কমে যায় যা ছত্রাকের বিস্তার রোধে
সাহায্য করে। নিয়মিতভাবে বাগানের প্রতিটি গাছ পর্যবেক্ষণ করা প্রাথমিক দমনের জন্য
অনেক সহায়ক হয়। সুষম সার প্রয়োগ করলে গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে যা আক্রমণ
প্রতিহত করে।
আরো পড়ুন:পানি বিশুদ্ধ করার পদ্ধতি
৭. জৈবিক নিয়ন্ত্রণ ও প্রাকৃতিক প্রতিকার
রাসায়নিকের ওপর নির্ভরতা কমাতে অনেক চাষি এখন জৈবিক পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছেন বেশি।
কিছু উপকারী ছত্রাকনাশক আছে যা প্রাকৃতিকভাবে সিগাটোগার বিস্তার থামাতে সাহায্য
করে থাকে। যেমন ট্রাইকোডার্মা ভিরিডি ব্যবহার করলে ক্ষতিকর ছত্রাকের প্রভাব
অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। নিম তেল বা নিমের নির্যাস স্প্রে করা এই রোগের জন্য
একটি পরিবেশবান্ধব সমাধান। নিম তেলের মিশ্রণ পাতার উপরিভাগে একটি সুরক্ষা স্তর
তৈরি করে যা ছত্রাককে বাধা দেয়। এটি মাটির গুণাগুণ নষ্ট করে না এবং পরিবেশের জন্য
কোনো ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না। জৈব সার ব্যবহার করে মাটির স্বাস্থ্য ঠিক রাখলে গাছ
এমনিতেই শক্তিশালী হয়ে ওঠে। অনেক সময় ছাই ব্যবহার করাও কিছু ক্ষেত্রে ছত্রাক দমনে
গ্রাম্য পদ্ধতি হিসেবে পরিচিত। এতে খরচ কম হয় এবং ফলও বিষমুক্ত থাকার সম্ভাবনা
অনেক বেশি থাকে। তবে আক্রমণ খুব বেশি হলে শুধু জৈবিক পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন
হয়ে পড়ে।
৮. রাসায়নিক দমন ও সঠিক ওষুধ প্রয়োগ
সিগাটোগা যখন মহামারী আকার ধারণ করে তখন রাসায়নিক দমন ব্যবস্থা নেওয়া অপরিহার্য।
বাজারে প্রচলিত কার্বেন্ডাজিম বা প্রোপিকোনাজল জাতীয় ছত্রাকনাশক এই রোগের জন্য
বেশ কার্যকর। নির্দিষ্ট পরিমাণে ওষুধ পানির সাথে মিশিয়ে পাতার দুই পাশে ভালোমতো
স্প্রে করতে হয়। সাধারণত ১৫ থেকে ২০ দিন পর পর স্প্রে করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
তবে একই ওষুধ বারবার ব্যবহার না করে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ।
কারণ এতে ছত্রাক ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে পারে না সহজেই।
স্প্রে করার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন আবহাওয়া রৌদ্রোজ্জ্বল থাকে এবং বৃষ্টি না
হয়। বৃষ্টির দিনে ওষুধ দিলে তা ধুয়ে যায় এবং শ্রম ও অর্থ দুটোই বৃথা যায়। অভিজ্ঞ
কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নিয়ে ওষুধের মাত্রা নির্ধারণ করা সবথেকে নিরাপদ পদ্ধতি।
রাসায়নিক ব্যবহারের সময় কৃষকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম বা মাস্ক পরা উচিত
অবশ্যই।
৯. রোগ প্রতিরোধী জাতের ব্যবহার ও ভবিষ্যৎ
বিজ্ঞানীরা সিগাটোগা প্রতিরোধে সক্ষম এমন নতুন নতুন কলার জাত উদ্ভাবন করছেন
প্রতিনিয়ত। টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে উৎপাদিত রোগমুক্ত চারা ব্যবহার করলে সংক্রমণের
ঝুঁকি অনেক কমে।
বুনো প্রজাতির কলার সাথে সংকরায়ণ করে উন্নত জাতের চারা তৈরি করার
চেষ্টা চলছে। জিএমও বা জিনগত পরিবর্তনের মাধ্যমেও এই রোগ দমনের গবেষণা বিশ্বজুড়ে
চলমান রয়েছে। অনেক আধুনিক জাত এখন বাজারে পাওয়া যায় যা সিগাটোগার বিরুদ্ধে লড়াই
করতে পারে। নতুন বাগান করার সময় চাষিদের উচিত প্রত্যয়িত বা অনুমোদিত চারা সংগ্রহ
করা সবসময়। এতে শুরুর দিকেই রোগমুক্ত বাগান গড়ার নিশ্চয়তা পাওয়া যায় এবং ঝুঁকি
কমে। ভবিষ্যতে হয়তো এমন চারা আসবে যাতে সিগাটোগার আক্রমণ কোনো প্রভাবই ফেলতে
পারবে না। এটি চাষিদের খরচ কমাবে এবং বিশ্বজুড়ে কলার উৎপাদন স্থিতিশীল রাখতে
সাহায্য করবে। বিজ্ঞানসম্মত চাষাবাদই এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার একমাত্র
দীর্ঘমেয়াদী সমাধান দিতে পারে আধুনিক বিশ্বে।
আরো পড়ুন:মাটির নিচের অতন্দ্র ধ্বংসকারী: উঁই পোকা
১০. কৃষকদের সচেতনতা ও প্রশিক্ষণের গুরুত্ব
সিগাটোগা দমনে কৃষকদের ব্যক্তিগত সচেতনতা সবথেকে বড় ভূমিকা পালন করে থাকে সবসময়।
এই রোগ সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকলে অনেক সময় ভুল চিকিৎসায় ক্ষতি বাড়ে। সরকারি ও
বেসরকারি কৃষি সংস্থাগুলো নিয়মিত প্রশিক্ষণের আয়োজন করলে চাষিরা উপকৃত হয়। মাঠ
দিবসের মাধ্যমে কৃষকদের হাতে-কলমে এই রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার শেখানো দরকার।
আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ডিজিটাল অ্যাপের মাধ্যমে রোগের উপস্থিতি শনাক্ত
করা সম্ভব। সচেতন কৃষক সঠিক সময়ে সঠিক ব্যবস্থা নিয়ে বড় ধরণের আর্থিক ক্ষতি এড়াতে
পারে। গোষ্ঠীগতভাবে সবাই মিলে সচেতন হলে একটি এলাকাকে পুরোপুরি রোগমুক্ত রাখা
সম্ভব হয়। কলার বাজারজাতকরণ এবং রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য রোগমুক্ত ফসল উৎপাদন এখন
সময়ের দাবি। পরিশেষে, সঠিক ব্যবস্থাপনা ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের প্রয়োগই পারে কলার এই
শত্রু নিধন করতে। একটি সুস্থ ও সুন্দর কলা বাগানই পারে কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতে ও
সমৃদ্ধি আনতে।
১০.উপসংহার
সিগাটোগা রোগের কারণে কৃষকরা প্রতি বছর ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। তবে
নিয়মিত বাগান পরিদর্শন এবং রোগ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে ব্যবস্থা নিলে কলার ফলন
অটুট রাখা সম্ভব।



এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url