কোন পুকুরে ধানী পোনা ছাড়া হয়


ধানী পোনা (Fingerlings) সঠিক পরিবেশে লালন-পালন করা। ধানী পোনা সরাসরি বড় পুকুরে না ছেড়ে প্রথমে একটি নির্দিষ্ট ধরনের পুকুরে ছাড়া হয়, যাকে বলা হয় আঁতুড় পুকুর বা নার্সারি পুকুর।
কোন পুকুরে ধানী পোনা ছাড়া হয়
​নিচে ধানী পোনা ছাড়ার আদর্শ পুকুর এবং এর ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি বিস্তারিত আর্টিকেল দেওয়া হলো। যা পরে আপনারা জানতে পারবেন কোন পুকুরে ধানী পোনা ছাড়া হয়।

পেজ সূচিপত্রঃকোন পুকুরে ধানী পোনা ছাড়া হয়

১. আঁতুড় পুকুর বা নার্সারি পুকুর নির্বাচন

ধানী পোনা ছাড়ার জন্য প্রথম এবং প্রধান ধাপ হলো সঠিক আঁতুড় পুকুর বা নার্সারি পুকুর নির্বাচন করা। এই পুকুরটি সাধারণত আয়তনে খুব বেশি বড় হয় না, যাতে পোনার যত্ন নিতে সুবিধা হয়। পুকুরের তলদেশ সমান হওয়া জরুরি এবং এতে কোনো প্রকার বিষাক্ত গ্যাস থাকা চলবে না। ধানী পোনা অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় এই পুকুরের গভীরতা ২ থেকে ৩ ফুটের মধ্যে রাখা ভালো। পুকুরটি অবশ্যই বন্যামুক্ত এলাকায় হতে হবে যাতে বৃষ্টির পানিতে পোনা ভেসে না যায়। আলো-বাতাস চলাচলের জন্য পুকুর পাড়ের বড় গাছপালা ছেঁটে ফেলা বা পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। মাটির গুণাগুণ অনুযায়ী দোআঁশ মাটি পোনা চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী বলে বিবেচিত হয়। পুকুরে সরাসরি সূর্যালোক পড়লে প্রাকৃতিক খাদ্য বা প্লাঙ্কটন তৈরিতে অনেক সুবিধা হয়। পোনা ছাড়ার আগে পুকুরের পাড় ভালোভাবে মেরামত করে জলজ আগাছা মুক্ত করতে হয়। সঠিক পুকুর নির্বাচনই সফল মৎস্য চাষের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং মৃত্যুহার কমায়।

২. পুকুর শুকানো ও তলদেশ সংস্কার

নতুন বা পুরোনো যে পুকুরই হোক না কেন, ধানী পোনা ছাড়ার আগে পুকুর শুকানো অত্যন্ত জরুরি। পুকুর শুকানোর ফলে তলদেশের ক্ষতিকর জীবাণু ও গ্যাসের প্রকোপ একেবারে কমে যায়। রোদে মাটি ফেটে গেলে তলার বিষাক্ত গ্যাস বের হয়ে যায় এবং মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। যদি পুকুর পুরোপুরি শুকানো সম্ভব না হয়, তবে বারবার জাল টেনে তলদেশের কাদা নাড়াচাড়া করে দিতে হয়। পুকুরের তলায় অতিরিক্ত কাদা থাকলে তা সরিয়ে ফেলা পোনার স্বাস্থ্যের জন্য মঙ্গলজনক। শুকানোর পর তলায় হালকা চাষ দিলে মাটির পুষ্টিগুণ পানির সাথে সহজে মিশতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় ক্ষতিকর পোকামাকড় ও রাক্ষুসে মাছের ডিম নষ্ট হয়ে যায় যা পোনার জন্য নিরাপদ। ধানী পোনা ছাড়ার অন্তত ১৫ দিন আগে এই সংস্কার কাজ শেষ করা বাঞ্ছনীয়। এটি পুকুরের পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়াতে এবং পানির স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। পরিষ্কার ও সংশোধিত তলদেশ পোনার দ্রুত বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।

৩. রাক্ষুসে মাছ ও ক্ষতিকর প্রাণী নিয়ন্ত্রণ

ধানী পোনার সবচেয়ে বড় শত্রু হলো রাক্ষুসে মাছ যেমন শোল, বোয়াল, টাকি বা গজার। পুকুরে ধানী পোনা ছাড়ার আগে এই মাছগুলো সম্পূর্ণভাবে নিধন করা আবশ্যিক কাজ। রাক্ষুসে মাছ ছাড়াও ব্যাঙ, কুঁচে এবং বিভিন্ন জলজ পোকামাকড় ধানী পোনা খেয়ে ফেলতে পারে। এগুলো দমনের জন্য পুকুর শুকানো বা বারবার ঘন ফাঁসের জাল টানা কার্যকর পদ্ধতি। অনেক সময় পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে (যেমন রোটেনন পাউডার) অনিষ্টকারী মাছ দূর করা হয়। বিষ প্রয়োগের পর নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করতে হয় যাতে পানির বিষক্রিয়া পুরোপুরি কেটে যায়। রাক্ষুসে মাছ থাকলে ধানী পোনার বাঁচার হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে গিয়ে মৎস্য চাষিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। পানির উপরের স্তরের ক্ষতিকর পোকা দমনের জন্য হাঁস বা বিশেষায়িত ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। চারদিকের পাড়ে নেট বা জালের বেড়া দিলে সাপ বা ব্যাঙের উপদ্রব থেকে রেহাই পাওয়া যায়। পোনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ধাপটি কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত নয়।

৪. চুন প্রয়োগ ও মাটির শোধন

কোন পুকুরে ধানী পোনা ছাড়া হয়
পুকুরের পানির গুণাগুণ রক্ষা এবং রোগবালাই দমনে চুনের ভূমিকা অপরিসীম ও অনস্বীকার্য। ধানী পোনা ছাড়ার আগে পুকুরের তলায় বা পানিতে পরিমাণমতো চুন প্রয়োগ করতে হয়। চুন পানির অম্লত্ব বা পিএইচ (pH) মান নিয়ন্ত্রণ করে পানিকে মাছ চাষের উপযোগী রাখে। সাধারণত প্রতি শতাংশে ১ থেকে ২ কেজি হারে পাথর চুন ব্যবহার করা আদর্শ নিয়ম। চুন প্রয়োগের ফলে পানির ঘোলাটে ভাব দূর হয় এবং পানি পরিষ্কার ও স্বচ্ছ হয়ে ওঠে। এটি মাছের হাড় গঠনে সহায়তা করে এবং পরজীবী জনিত রোগ থেকে পোনাকে রক্ষা করে। চুন গোলানোর সময় সতর্ক থাকতে হবে এবং এটি পুরো পুকুরে সমানভাবে ছিটিয়ে দিতে হবে। মাটির উর্বরতা বাড়াতে এবং পানির রোগজীবাণু ধ্বংস করতে চুন একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক। চুন দেওয়ার অন্তত ৫ থেকে ৭ দিন পর পুকুরে সার প্রয়োগের চিন্তা করা উচিত। সঠিক মাত্রায় চুন ব্যবহার না করলে পোনার বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে বা মড়ক দেখা দিতে পারে।

৫. সার প্রয়োগ ও প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরি

ধানী পোনার প্রধান খাদ্য হলো পানিতে থাকা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণা বা প্রাকৃতিক প্লাঙ্কটন। এই প্লাঙ্কটন তৈরির জন্য পুকুরে জৈব ও অজৈব সার সঠিক অনুপাতে প্রয়োগ করতে হয়। সাধারণত গোবর বা মুরগির বিষ্ঠা জৈব সার হিসেবে এবং ইউরিয়া ও টিএসপি অজৈব সার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সার দেওয়ার ফলে পানিতে ফাইটোপ্লাঙ্কটন এবং জুপ্লাঙ্কটন তৈরি হয় যা ধানী পোনার জীবনীশক্তি বাড়ায়। পানির রঙ হালকা সবুজ বা বাদামি হলে বুঝতে হবে পুকুরে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাবার আছে। তবে অতিরিক্ত সার প্রয়োগ করলে পানিতে অক্সিজেনের অভাব দেখা দিতে পারে যা পোনার জন্য প্রাণঘাতী। রোদেলা দিনে সকালের দিকে সার প্রয়োগ করা সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে গণ্য হয়। পোনা ছাড়ার ৫-৬ দিন আগে সার দিলে পোনা ছাড়ার সময় খাবারের অভাব হয় না। প্রাকৃতিক খাবার পুকুরে পোনার দ্রুত বৃদ্ধি নিশ্চিত করে এবং সম্পূরক খাদ্যের খরচ কমায়। নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে যেন পানির রঙ অতিরিক্ত গাঢ় সবুজ বা কালো না হয়ে যায়।

৬. পানির গুণাগুণ ও উচ্চতা নিয়ন্ত্রণ

ধানী পোনা অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় পানির সঠিক গুণাগুণ বজায় রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। পানির তাপমাত্রা, অক্সিজেন এবং পিএইচ মান পোনার বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ধানী পোনা ছাড়ার সময় পানির উচ্চতা ২ থেকে ৩ ফুটের বেশি হওয়া মোটেও কাম্য নয়। খুব বেশি গভীর পানিতে ধানী পোনা চলাফেরা করতে এবং খাদ্য সংগ্রহ করতে সমস্যায় পড়ে। পানির স্বচ্ছতা এমন হওয়া উচিত যাতে তলার মাটি হালকাভাবে ওপর থেকে দেখা যায়। পুকুরে কোনো প্রকার তেলের স্তর বা শেওলার আস্তরণ যেন না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। অক্সিজেন স্বল্পতা দেখা দিলে বাঁশ দিয়ে পানি পিটিয়ে বা পাম্প দিয়ে নতুন পানি সরবরাহ করতে হয়। পানির পিএইচ মান সাধারণত ৭.৫ থেকে ৮.৫ এর মধ্যে থাকা পোনার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ। মেঘলা দিনে বা বৃষ্টির সময় পানির অক্সিজেন কমে যেতে পারে বলে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। পানির সুস্থ পরিবেশই ধানী পোনার স্বাস্থ্যকর জীবনের একমাত্র গ্যারান্টি প্রদান করে থাকে।

৭. ধানী পোনা সংগ্রহ ও পরিবহন পদ্ধতি

ধানী পোনা সংগ্রহের সময় অবশ্যই ভালো জাতের এবং সুস্থ সবল পোনা নির্বাচন করতে হয়। পোনা সংগ্রহের উৎস বা হ্যাচারি যেন নির্ভরযোগ্য হয় সেদিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। পরিবহনের সময় পোনাকে পলিথিন ব্যাগে অক্সিজেন দিয়ে অতি সাবধানে নিয়ে আসতে হয়। অধিক গরমে বা কড়া রোদে পোনা পরিবহন করলে পোনার ক্লান্তি ও মৃত্যুহার বেড়ে যায়। পরিবহনের আগে পোনাকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অভুক্ত রাখা হয় যাতে ব্যাগের পানি নষ্ট না হয়। ড্রাম বা পাতিলে পোনা পরিবহনের ক্ষেত্রে কিছুক্ষণ পর পর পানি পরিবর্তন করা জরুরি কাজ। পোনার ব্যাগ সরাসরি রোদে না রেখে ছায়াযুক্ত স্থানে বা ভেজা চটের ওপর রাখা উচিত। পরিবহনের সময় পোনা যেন ঝাঁকুনি কম পায় সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হয় চাষিকে। সঠিক পরিবহনের ওপর নির্ভর করে পুকুরে ছাড়ার পর পোনার খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতা। সুস্থ পোনা পুকুরে দ্রুত ছোটাছুটি করে এবং অল্প দিনেই বড় মাছের রূপ নিতে শুরু করে।

৮. পুকুরে পোনা ছাড়ার সঠিক পদ্ধতি (অভিযোজন)

ধানী পোনা পুকুরে ছাড়ার আগে পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে অভিযোজন বা কন্ডিশনিং বলে। সরাসরি ব্যাগ থেকে পোনা পুকুরে ঢেলে দিলে তাপমাত্রার আকস্মিক পরিবর্তনে পোনা মারা যেতে পারে। প্রথমে পোনার ব্যাগটি পুকুরের পানিতে ভাসিয়ে রাখতে হয় যাতে দুই জায়গার তাপমাত্রা সমান হয়। এরপর ধীরে ধীরে পুকুরের পানি ব্যাগের ভেতরে ঢুকিয়ে পোনাকে বাইরের পানির সাথে পরিচিত করতে হয়। পোনা যখন নিজে থেকেই ব্যাগ থেকে পুকুরের পানিতে বেরিয়ে যাবে, তখন বুঝতে হবে সে মানিয়ে নিয়েছে। সাধারণত খুব ভোরে অথবা সন্ধ্যার পর পড়ন্ত রোদে পোনা ছাড়া সবচেয়ে ভালো সময়। পোনা ছাড়ার সময় পুকুরের কোনো এক কোণে বা কিনারে সাবধানে ব্যাগটি কাত করে ধরতে হয়। তড়িঘড়ি করে পোনা ছাড়লে তারা শক পেতে পারে এবং এতে পোনার মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়। এই অভিযোজন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কমপক্ষে ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময় নেওয়া উচিত। সঠিকভাবে পোনা ছাড়লে চাষের শুরুতে পোনার মড়ক লাগার সম্ভাবনা অনেকাংশে হ্রাস পায়।

৯. সম্পূরক খাদ্য ও প্রাথমিক যত্ন

কোন পুকুরে ধানী পোনা ছাড়া হয়
ধানী পোনা ছাড়ার পর শুধুমাত্র প্রাকৃতিক খাবারের ওপর নির্ভর না করে সম্পূরক খাদ্য দেওয়া জরুরি। পোনার আকার অনুযায়ী খুব মিহি গুঁড়ো করা খাবার বা পাউডার ফিড পুকুরে ছিটিয়ে দিতে হয়। সাধারণত সরিষার খৈল, চালের কুঁড়া এবং শুঁটকি মাছের গুঁড়োর মিশ্রণ পোনার জন্য বেশ পুষ্টিকর। পোনার ওজনের ৫ থেকে ১০ শতাংশ হারে প্রতিদিন দুইবার খাবার দেওয়া আদর্শ নিয়ম। সকালে এবং বিকেলে নির্দিষ্ট সময়ে এবং নির্দিষ্ট স্থানে খাবার দিলে পোনা দ্রুত খাবার গ্রহণে অভ্যস্ত হয়। অতিরিক্ত খাবার দেওয়া পরিহার করতে হবে কারণ পচে গিয়ে পানি দূষিত করতে পারে। খাবারের সাথে ভিটামিন ও মিনারেল মিশিয়ে দিলে পোনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে পোনাগুলো সক্রিয়ভাবে খাবার খাচ্ছে কি না বা কোনো অস্বাভাবিকতা আছে কি না। ধানী পোনা যখন ৩-৪ ইঞ্চি লম্বা হয়, তখন খাবারের দানার আকার ধীরে ধীরে বাড়াতে হয়। সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করলে ধানী পোনা খুব দ্রুত চারা পোনায় রূপান্তরিত হতে সক্ষম হয়।

১০. রোগবালাই প্রতিরোধ ও নিয়মিত তদারকি

ধানী পোনার রোগবালাই দমনে নিয়মিত তদারকি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা একান্ত আবশ্যক। মাছের গায়ে কোনো ক্ষত, লাল দাগ বা অস্বাভাবিক আচরণ দেখলে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হয়। সাধারণত পোনা ছাড়ার প্রথম কয়েক দিন পোনার মৃত্যুহার বেশি হতে পারে বলে নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। পুকুরে অতিরিক্ত নেট বা জাল টানা পোনার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে কারণ এতে শরীরে আঘাত লাগে। পানির রঙ বা গন্ধের কোনো পরিবর্তন হলে দ্রুত চুন বা পানি পরিবর্তনের ব্যবস্থা নিতে হয়। অনেক সময় পাখিরা পোনা খেয়ে ফেলে, তাই পুকুরের ওপর সুতোর জাল বা ফিতা টাঙানো যায়। মাছের ফুলকা পচা বা পাখনায় ছত্রাক আক্রমণ করলে দ্রুত প্রতিকারমূলক ওষুধ ব্যবহার করতে হবে। নিয়মিত পানির স্তর পরীক্ষা করা এবং আগাছা পরিষ্কার রাখা পোনার বৃদ্ধির জন্য সহায়ক পরিবেশ দেয়। একজন সচেতন চাষি প্রতিদিন পুকুর পরিদর্শনের মাধ্যমে বড় ধরনের লোকসান থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন। সফলভাবে ধানী পোনা পালন করলে পরবর্তী পর্যায়ে লাভজনক মাছ চাষের পথ প্রশস্ত হয়।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url