কোমরের ব্যথা (Back Pain): কারণ, প্রতিকার ও সমাধান
কোমরের ব্যথা বা ব্যাকপেইন বর্তমানে একটি অতি সাধারণ সমস্যা। দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ
করা, ভুল ভঙ্গিতে শোওয়া বা ভারী কিছু তোলার কারণে যেকোনো বয়সেই এই সমস্যা হতে
পারে।
কোমরের ব্যথা অনেক সময় সামান্য মনে হলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি বড় ভোগান্তির কারণ হতে
পারে। তাই এর কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জানা জরুরি।
নিচে আপনার জন্যকোমরের ব্যথা (Back Pain): কারণ, প্রতিকার ও সমাধান, বিস্তারিত
একটি আর্টিকেল দেওয়া হলো:
পেজ সূচিপত্র:কোমরের ব্যথা(Back Pain):কারণ,প্রতিকার ও সমাধান
১. কেন হয়? (প্রধান কারণসমূহ)
কোমরের ব্যথাকে মূলত তিন ভাগে ভাগ করা যায়: যান্ত্রিক কারণ, কাঠামোগত সমস্যা এবং
জীবনযাত্রাজনিত কারণ।
১. যান্ত্রিক কারণ (Mechanical Causes)
অধিকাংশ মানুষের কোমরের ব্যথা এই বিভাগেই পড়ে।
মাংসপেশিতে টান (Muscle Strain): হঠাৎ ভারি কিছু তোলা বা অস্বাভাবিকভাবে শরীর
বাঁকানোর ফলে কোমরের লিগামেন্ট বা পেশিতে টান লাগতে পারে।
বসার ভুল ভঙ্গি (Poor Posture): দীর্ঘক্ষণ কুঁজো হয়ে বসে কম্পিউটারে কাজ করা বা
নিচু হয়ে স্মার্টফোন ব্যবহার করা মেরুদণ্ডের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।
২. কাঠামোগত সমস্যা (Structural Problems)
মেরুদণ্ডের হাড় বা ডিস্কের কোনো পরিবর্তন হলে দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা হতে পারে।
ডিস্ক প্রোল্যাপ্স (Herniated Disc): মেরুদণ্ডের দুটি হাড়ের মাঝে থাকা তরুণাস্থি
বা ডিস্ক যদি স্থানচ্যুত হয়ে স্নায়ুর ওপর চাপ দেয়, তবে তীব্র ব্যথা হয় (যাকে
অনেকে PLID বলেন)।
সায়াটিকা (Sciatica): সায়াটিক নার্ভের ওপর চাপ পড়লে কোমর থেকে পা পর্যন্ত ঝিনঝিন
করা বা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার মতো ব্যথা অনুভূত হয়।
অস্টিওআর্থ্রাইটিস: বয়সের কারণে মেরুদণ্ডের জয়েন্টগুলো ক্ষয় হয়ে গেলে ব্যথা হতে
পারে।
স্পাইনাল স্টেনোসিস: মেরুদণ্ডের ভেতর দিয়ে যাওয়া স্নায়ুর পথটি সরু হয়ে গেলে
স্নায়ুতে চাপ সৃষ্টি হয়।
৩. জীবনযাত্রা ও অন্যান্য কারণ
অতিরিক্ত ওজন: শরীরের ওজন বেশি হলে তা মেরুদণ্ডের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে।
ব্যায়ামের অভাব: পেটের ও পিঠের পেশি দুর্বল থাকলে মেরুদণ্ড পর্যাপ্ত সাপোর্ট পায়
না।
ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D-এর অভাব: হাড় মজবুত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবে
হাড়ের ক্ষয় বেড়ে যায়।
মানসিক চাপ: দীর্ঘদিনের দুশ্চিন্তা বা স্ট্রেস থেকেও পেশি শক্ত হয়ে ব্যাক পেইন
হতে পারে।
কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে সাবধানতা
যদি কোমরের ব্যথার সাথে নিচের লক্ষণগুলো থাকে, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ
নেওয়া উচিত:
প্রস্রাব বা পায়খানায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলা।
পায়ের পাতায় শক্তি না পাওয়া বা অবশ হয়ে যাওয়া।
ব্যথার কারণে রাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া।
ব্যথার সাথে জ্বর আসা।
২. কী করলে ব্যথা বাড়ে?
কোমরের ব্যথা বাড়ার প্রধান কারণসমূহ:
১. ভুল ভঙ্গিতে বসা বা দাঁড়ানো (Poor Posture)
আমরা যখন দীর্ঘক্ষণ কুঁজো হয়ে কম্পিউটারে কাজ করি বা ফোনে স্ক্রল করি, তখন
মেরুদণ্ডের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।
বসা: চেয়ারে সোজা হয়ে না বসে সামনের দিকে ঝুঁকে থাকলে ডিস্কের ওপর চাপ বাড়ে।
দাঁড়ানো: দীর্ঘক্ষণ একদিকে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলেও পেশিতে টান পড়তে পারে।
২. ভারী বস্তু তোলার ভুল পদ্ধতি
ভারী কিছু তোলার সময় কোমর বাঁকিয়ে বা সরাসরি নিচু হয়ে তুললে হঠাৎ করেই মাসল
স্পাজম বা ডিস্ক প্রোলাপস হতে পারে। সবসময় হাঁটু গেড়ে বসে বস্তুটি শরীরের
কাছাকাছি রেখে তোলার নিয়ম, যা আমরা অনেকেই মানি না।
৩. দীর্ঘক্ষণ স্থবিরতা (Prolonged Inactivity)
অনেকে মনে করেন ব্যথা হলে সারাদিন শুয়ে থাকা ভালো। কিন্তু বাস্তবতা উল্টো।
দীর্ঘক্ষণ নড়াচড়া না করলে কোমরের পেশি শক্ত (Stiff) হয়ে যায়, যা ব্যথাকে আরও
দীর্ঘস্থায়ী করে।
৪. ভুল জুতোর ব্যবহার
হিল জুতো বা খুব বেশি পাতলা সোল-এর জুতো পরলে শরীরের ভারের ভারসাম্য নষ্ট হয়।
এটি সরাসরি নিম্নভাগের মেরুদণ্ডে বা লোয়ার ব্যাক-এ চাপ সৃষ্টি করে।
৫. অতিরিক্ত ওজন (Obesity)
শরীরের ওজন বেড়ে গেলে মেরুদণ্ডকে অতিরিক্ত ভার বহন করতে হয়। বিশেষ করে পেটের মেদ
বাড়লে শরীরের অভিকর্ষ কেন্দ্র (Center of gravity) বদলে যায়, যা কোমরের হাড়ের ওপর
বাড়তি চাপ দেয়।
৬. শক্ত বা অতিরিক্ত নরম বিছানা
খুব বেশি নরম তোশক বা ম্যাট্রেসে ঘুমালে মেরুদণ্ড তার স্বাভাবিক বাঁক হারায়।
আবার একদম শক্ত মেঝেতে ঘুমানোও ব্যথার কারণ হতে পারে। মাঝামাঝি ধরনের শক্ত বিছানা
মেরুদণ্ডের জন্য সবচেয়ে ভালো
৩. প্রতিকার ও সমাধান (বাসায় যা করবেন)
কোমরের ব্যথা নিরাময়ে ঘরোয়া প্রতিকার
১. সঠিক অবস্থানে বিশ্রাম ও মুভমেন্ট
ব্যথা খুব বেশি হলে পূর্ণ বিশ্রামের প্রয়োজন হতে পারে, তবে তা যেন ৪৮ ঘণ্টার
বেশি না হয়। দীর্ঘক্ষণ শুয়ে থাকলে পেশি শক্ত হয়ে ব্যথা আরও বাড়তে পারে। তাই হালকা
হাঁটাচলা বজায় রাখুন।
২. গরম ও ঠান্ডা সেঁক (Heat and Cold Therapy)
প্রথম ৪৮ ঘণ্টা: ব্যথার জায়গায় আইস প্যাক বা বরফ দিন। এটি প্রদাহ ও ফোলা কমাতে
সাহায্য করে।
৪৮ ঘণ্টা পর: কুসুম গরম পানির সেঁক বা হট ওয়াটার ব্যাগ ব্যবহার করুন। এতে রক্ত
সঞ্চালন বাড়ে এবং পেশি শিথিল হয়।
৩. ঘুমের সঠিক ভঙ্গি
শোয়ার ভঙ্গি আপনার মেরুদণ্ডের ওপর চাপ কমিয়ে দিতে পারে:
চিত হয়ে শুলে: হাঁটুর নিচে একটি বালিশ দিন।
কাত হয়ে শুলে: দুই হাঁটুর মাঝখানে একটি বালিশ রাখুন।
পেট ভরে শোয়া (উপুড় হয়ে): এটি এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ এতে মেরুদণ্ডে চাপ পড়ে।
কার্যকরী কিছু ব্যায়াম (Exercises)
ব্যায়াম করার সময় মেরুদণ্ডের ওপর অতিরিক্ত চাপ দেবেন না। নিচের ব্যায়ামগুলো
নিয়মিত করতে পারেন:
ব্যায়ামের নাম পদ্ধতি ও উপকারিতা
ক্যাট-কাউ স্ট্রেচ হাঁটু ও হাতের ওপর ভর দিয়ে পিঠ একবার উঁচুতে ও একবার নিচুতে
নেওয়া। এটি মেরুদণ্ড নমনীয় করে।
পেলভিক টিল্ট মেঝেতে শুয়ে কোমর দিয়ে মেঝেকে চেপে ধরা। এটি পেটের ও নিচের দিকের
পেশি শক্ত করে।
হাঁটু বুকে টেনে নেওয়া চিৎ হয়ে শুয়ে এক এক করে হাঁটু বুকের কাছে টেনে আনা। এতে
কোমরের নিচের অংশে আরাম পাওয়া যায়।দৈনন্দিন জীবনের কিছু জরুরি পরিবর্তন
বসার ভঙ্গি: দীর্ঘক্ষণ চেয়ারে বসে কাজ করলে পিঠের পেছনে একটি ছোট বালিশ বা
'লাম্বার সাপোর্ট' ব্যবহার করুন। প্রতি ৩০ মিনিট পরপর উঠে দাঁড়ান বা স্ট্রেচিং
করুন।
ভারী বস্তু তোলা: নিচু হয়ে কিছু তোলার সময় কোমর না ঝুঁকিয়ে হাঁটু ভেঙে বসুন,
তারপর বস্তুটি তুলুন।
জুতা নির্বাচন: খুব উঁচু হিল বা একদম ফ্ল্যাট জুতা এড়িয়ে চলুন। আরামদায়ক ও
কুশনযুক্ত জুতা ব্যবহার করুন
আরো পড়ুন:মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ১০টি উপায়
৪. খাবারের ভূমিকা (কী খেলে ভালো হয়)
কোমরের ব্যথা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক খাবারগুলো নিয়ে নিচে একটি বিস্তারিত আলোচনা
করা হলো:
১. প্রদাহরোধী খাবার (Anti-inflammatory Foods)
শরীরের ভেতরের প্রদাহ কোমরের ব্যথার অন্যতম প্রধান কারণ। নির্দিষ্ট কিছু খাবার
এই প্রদাহ কমিয়ে প্রাকৃতিক ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে।
হলুদ: হলুদে থাকা 'কারকিউমিন' একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি জয়েন্ট
এবং মাংসপেশির প্রদাহ কমাতে জাদুর মতো কাজ করে। কুসুম গরম দুধের সাথে হলুদ মিশিয়ে
পান করা বেশ উপকারী।
আদা: আদাতে রয়েছে জিঞ্জেরল (Gingerol) নামক উপাদান, যা মাংসপেশির খিঁচুনি এবং
ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
সবুজ শাকসবজি: পালং শাক, ব্রকলি বা কলমি শাকে প্রচুর পরিমাণে
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে যা কোষের ক্ষয় রোধ করে।
২. হাড়ের শক্তি বাড়াতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি
হাড়ের ঘনত্ব কমে গেলে মেরুদণ্ডের ব্যথা বেড়ে যায়। তাই হাড় মজবুত রাখা জরুরি।
দুগ্ধজাত পণ্য: দুধ, দই এবং ছানা ক্যালসিয়ামের চমৎকার উৎস।
ভিটামিন-ডি: ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য ভিটামিন-ডি অপরিহার্য। এর প্রধান উৎস
সূর্যালোক হলেও ডিমের কুসুম ও সামুদ্রিক মাছে এটি পাওয়া যায়।
বাদাম ও বীজ: কাঠবাদাম, তিল এবং তিসির বীজে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম
থাকে যা হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
৩. ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ মাছ
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং শিরদাঁড়ার ডিস্কের
আর্দ্রতা বজায় রাখে।
সামুদ্রিক মাছ: ইলিশ, রূপচাঁদা, টুনা বা সার্ডিন মাছে প্রচুর ওমেগা-৩ থাকে।
উদ্ভিজ্জ উৎস: যারা মাছ খান না, তারা আখরোট বা চিয়া সিড খেতে পারেন।
৪. পর্যাপ্ত পানি পান
মেরুদণ্ডের হাড়গুলোর মাঝখানে যে ডিস্ক থাকে, তার অনেকটা অংশই পানি দিয়ে তৈরি।
শরীরে পানির অভাব হলে এই ডিস্কগুলো সংকুচিত হয়ে যায় এবং ব্যথা সৃষ্টি করে। তাই
দিনে অন্তত ২-৩ লিটার পানি পান করা উচিত।
যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন (Foods to Avoid)
কিছু খাবার শরীরে প্রদাহ বাড়িয়ে ব্যথাকে আরও তীব্র করতে পারে:
চিনি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার: অতিরিক্ত চিনি শরীরে ইনফ্লামেশন বাড়ায়।
অতিরিক্ত লবণ: লবণ হাড় থেকে ক্যালসিয়াম বের করে দেয়।
প্রসেসড ফুড: ফাস্ট ফুড, চিপস এবং প্রক্রিয়াজাত মাংসে থাকা ট্রান্স-ফ্যাট ব্যথা
বাড়িয়ে দেয়।
কফি ও সোডা: অতিরিক্ত ক্যাফেইন হাড়ের ক্ষতি করতে পারে।
জীবনযাত্রার ছোট কিছু পরিবর্তন:
খাবারের পাশাপাশি কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি:
প্রতিদিন সকালে ১০-১৫ মিনিট রোদে বসার চেষ্টা করুন।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন, কারণ অতিরিক্ত ওজন মেরুদণ্ডের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।
একটানা বসে না থেকে প্রতি ৩০ মিনিট পর পর একটু হাঁটাহাঁটি করুন।
৫. ডাক্তারের পরামর্শ ও চিকিৎসা
যদি ব্যথা ৩ সপ্তাহের বেশি থাকে, তবে অবশ্যই একজন ফিজিওথেরাপিস্ট বা অর্থোপেডিক
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। সাধারণত ডাক্তাররা নিচের পরামর্শগুলো দেন:
ব্যায়াম (Physical Therapy): কোর মাসল বা পেটের পেশি শক্ত করার বিশেষ ব্যায়াম।
ওষুধ: ব্যথানাশক ওষুধ (NSAIDs) বা মাসল রিল্যাক্স্যান্ট (চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া
খাবেন না)।
যৌক্তিক পরীক্ষা: এক্স-রে (X-ray) বা এমআরআই (MRI) করে ব্যথার সঠিক উৎস নির্ণয়
করা।
সব কোমরের ব্যথা সাধারণ নয়। নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত
বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের (Orthopedics বা Physiotherapist) পরামর্শ নিন:
সতর্ক সংকেত (Red Flags):
যদি ব্যথা ২ সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয়।
ব্যথা কোমর থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়লে।
পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরা, অবশ ভাব বা দুর্বলতা অনুভব করলে।
প্রস্রাব বা পায়খানার নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হলে।
জ্বর বা ওজন কমে যাওয়ার সাথে ব্যথা থাকলে।
৪. চিকিৎসা পদ্ধতি
ডাক্তার সাধারণত ব্যথার ধরন বুঝে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন:
ওষুধ: ব্যথানাশক (NSAIDs), পেশি শিথিলকারী (Muscle Relaxants) বা নার্ভের
সমস্যার জন্য নির্দিষ্ট ওষুধ।
ফিজিওথেরাপি: থেরাপিস্টের নির্দেশনায় নির্দিষ্ট ব্যায়াম কোমরের মাংসপেশি শক্ত
করতে সাহায্য করে।
ইনজেকশন: যদি সাধারণ ওষুধে কাজ না হয়, তবে মেরুদণ্ডের নির্দিষ্ট স্থানে
স্টেরয়েড ইনজেকশন দেওয়া হতে পারে।
সার্জারি: খুব কম ক্ষেত্রে, যখন ডিস্কের সমস্যা গুরুতর হয়, তখন অস্ত্রোপচারের
প্রয়োজন পড়ে।
সতর্কতা:
যদি ব্যথার সাথে সাথে পা অবশ হয়ে যায়, প্রস্রাব-পায়খানায় সমস্যা হয় বা রাতে
প্রচণ্ড জ্বর আসে, তবে দেরি না করে দ্রুত জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করুন।



এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url