রোটেনন পাউডার পুকুরে প্রয়োগ করা হয় কেন
মাছ চাষের ক্ষেত্রে পুকুর প্রস্তুতি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। পুকুর থেকে
অপ্রয়োজনীয় বা রাক্ষুসে মাছ দূর করার জন্য রোটেনন (Rotenon) পাউডার একটি
কার্যকরী সমাধান। রোটেনন পাউডার ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা এবং এর বিভিন্ন দিক
নিয়ে আজকে আমাদের এই আটিকেলে বিস্তারিত আলোচনা উপস্থাপন করা হলো
তাহলে চলুন দেরি না করে আজকে আমাদের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়তে
থাকুন
পেজ সূচিপত্রঃ রোটেনন পাউডার পুকুরে প্রয়োগ করা হয় কেন
- রোটেনন পাউডারের পরিচয় ও উৎস
- রাক্ষুসে মাছ দমনে এর প্রয়োজনীয়তা
- রোটেনন প্রয়োগের সঠিক মাত্রা ও নিয়ম
- প্রয়োগ পরবর্তী পর্যবেক্ষণ ও সতর্কতা
- পানির গুণাগুণ ও বিষক্রিয়া মুক্ত হওয়ার সময়
- মাছের ওপর রোটেননের শারীরিক প্রভাব
- অর্থনৈতিকভাবে রোটেনন ব্যবহারের লাভজনক দিক
- প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বাস্তুসংস্থানের ওপর প্রভাব
- রোটেনন বনাম অন্যান্য রাসায়নিক বিষ
- রোটেনন পাউডার সংরক্ষণের সঠিক উপায়
- রোটেনন ব্যবহারের মাধ্যমে টেকসই মাছ চাষ
- উপসংহার
১. রোটেনন পাউডারের পরিচয় ও উৎস
রোটেনন হলো একটি প্রাকৃতিক জৈব যৌগ যা নির্দিষ্ট কিছু ক্রান্তীয় উদ্ভিদের শিকড়
থেকে সংগ্রহ করা হয়। এটি মূলত ডেরিস (Derris) নামক লতা জাতীয় উদ্ভিদের শিকড় থেকে
তৈরি করা পাউডার। আদিমকাল থেকেই মানুষ মাছ ধরার জন্য এই বিষাক্ত শিকড় ব্যবহার করে
আসলেও আধুনিক মৎস্য বিজ্ঞানে এটি একটি স্বীকৃত উপাদান। এটি সাদা বা হালকা ধূসর
বর্ণের পাউডার হিসেবে বাজারে পাওয়া যায় যা পানিতে সহজে মেশানো যায়। রাসায়নিকভাবে
এর গঠন জটিল হলেও এটি পরিবেশে খুব দ্রুত ভেঙে গিয়ে ক্ষতিকর উপাদানমুক্ত হয়ে যায়।
এই পরিবেশবান্ধব বৈশিষ্ট্যের কারণেই রাসায়নিক বিষের চেয়ে রোটেনন চাষিদের কাছে
অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য।
২. রাক্ষুসে মাছ দমনে এর প্রয়োজনীয়তা
নতুন পোনা ছাড়ার আগে পুকুরে থাকা রাক্ষুসে মাছগুলো নির্মূল করা মাছ চাষের
সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। যদি পুকুরে শোল বা বোয়াল মাছ থেকে যায়, তবে তারা ছাড়ার
কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পোনাগুলো খেয়ে ফেলবে। রোটেনন পাউডার ব্যবহারের ফলে এসব মাছ
খুব দ্রুত নিস্তেজ হয়ে পানির ওপরে ভেসে ওঠে। এটি মাছের রক্তে অক্সিজেনের শোষণ
ক্ষমতা নষ্ট করে দেয় বলে মাছ শ্বাসকষ্টে মারা যায়। অন্যান্য বিষের তুলনায় রোটেনন
প্রয়োগ করলে মাছ সহজেই ধরা যায় এবং তা খাওয়ার যোগ্য থাকে। পুকুর শুকানো সম্ভব না
হলে রোটেনন প্রয়োগই হচ্ছে সবচেয়ে সাশ্রয়ী এবং কার্যকরী পদ্ধতি।
৩. রোটেনন প্রয়োগের সঠিক মাত্রা ও নিয়ম
রোটেনন ব্যবহারের কার্যকারিতা নির্ভর করে পানির গভীরতা এবং তাপমাত্রার ওপর সঠিক
মাত্রার প্রয়োগে। সাধারণত প্রতি শতাংশ পুকুরে ১ ফুট পানির গভীরতার জন্য ২০ থেকে
৩০ গ্রাম রোটেনন প্রয়োজন হয়। প্রথমে নির্দিষ্ট পরিমাণ পাউডার একটি পাত্রে নিয়ে
সামান্য পানির সাহায্যে কাই বা পেস্ট তৈরি করতে হয়। এরপর সেই পেস্টটি পানির সাথে
গুলিয়ে পুরো পুকুরে সমানভাবে ছিটিয়ে দিতে হয়। প্রয়োগের সময় সকালের রোদ ওঠার পর বা
যখন পানির তাপমাত্রা একটু বেশি থাকে তখন ভালো ফল পাওয়া যায়। মেঘলা দিনে বা
বৃষ্টির সময় রোটেনন প্রয়োগ না করাই ভালো কারণ তখন এর কার্যকারিতা কমে যায়।
৪. প্রয়োগ পরবর্তী পর্যবেক্ষণ ও সতর্কতা
রোটেনন প্রয়োগের সাথে সাথেই মাছের ওপর এর প্রভাব পড়তে শুরু করে এবং মাছ লাফালাফি
শুরু করে। সাধারণত ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টার মধ্যে মাছগুলো দুর্বল হয়ে পানির
কিনারায় বা ওপরে ভেসে ওঠে। এই সময় মাছগুলো জাল দিয়ে বা হাতে দ্রুত সংগ্রহ করে
নিতে হয় যেন সেগুলো তলিয়ে না যায়। রোটেনন প্রয়োগের সময় বাতাসের প্রতিকূলে দাঁড়িয়ে
ওষুধ ছিটানো উচিত নয় কারণ এর গুঁড়ো চোখে গেলে জ্বালা করতে পারে। এছাড়াও
প্রয়োগকারীর হাতে কোনো ক্ষত থাকলে বা শরীরে এলার্জি থাকলে গ্লাভস ব্যবহার করা
বুদ্ধিমানের কাজ হবে। পুকুরে রোটেনন দেওয়ার পর সেখানে কয়েক ঘণ্টা গবাদি পশু বা
হাঁস নামানো থেকে বিরত থাকা উচিত।
৫. পানির গুণাগুণ ও বিষক্রিয়া মুক্ত হওয়ার সময়
রোটেননের একটি অনন্য গুণ হলো এটি রোদের আলো ও বাতাসের সংস্পর্শে খুব দ্রুত তার
বিষক্রিয়া হারিয়ে ফেলে।
সাধারণত প্রয়োগের ৪ থেকে ৭ দিনের মধ্যে পানির বিষক্রিয়া
সম্পূর্ণ দূর হয়ে যায় এবং পানি ব্যবহারের যোগ্য হয়। তবে পোনা ছাড়ার আগে অবশ্যই
পানির পরীক্ষা করে নেওয়া প্রয়োজন যে বিষক্রিয়া পুরোপুরি চলে গেছে কি না। এর জন্য
একটি হাঁড়িতে বা বালতিতে পুকুরের পানি নিয়ে তাতে কিছু পোনা ছেড়ে ২৪ ঘণ্টা
পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে। যদি পোনাগুলো বেঁচে থাকে তবে বোঝা যাবে পুকুরটি এখন
নতুন পোনা ছাড়ার জন্য একদম নিরাপদ। মাটির ধরন বা পানির ক্ষারত্বের ওপর ভিত্তি করে
এই বিষক্রিয়া কমার সময় কমবেশি হতে পারে।
৬. মাছের ওপর রোটেননের শারীরিক প্রভাব
রোটেনন মূলত মাছের কোষীয় শ্বসন প্রক্রিয়া বা মাইটোকন্ড্রিয়াল ইলেকট্রন
ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমকে বাধাগ্রস্ত করে সরাসরি কাজ করে। এটি মাছের ফুলকার মাধ্যমে
শোষিত হয়ে সারা শরীরের রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থায় অক্সিজেন সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করে
দেয়। ফলে মাছ অক্সিজেন স্বল্পতায় ভুগে নিস্তেজ হয়ে পড়ে এবং কিছুক্ষণ পরেই মারা
যায় যা চোখে দেখা যায়। তবে এই বিষক্রিয়া শুধুমাত্র জলজ প্রাণীদের ওপর তীব্র
প্রভাব ফেলে কারণ তারা ফুলকা দিয়ে সরাসরি পানি থেকে শ্বাস নেয়। স্থলচর প্রাণী বা
মানুষের পাকস্থলীতে এটি খুব দ্রুত পাচক রসের মাধ্যমে ভেঙে যায় বলে বড় ধরনের
ক্ষতির সম্ভাবনা কম। তবুও সতর্কতা হিসেবে রোটেননে মরা মাছ ধুয়ে রান্না করা এবং
সঠিক নিয়ম মেনে খাওয়া জরুরি।
৭. অর্থনৈতিকভাবে রোটেনন ব্যবহারের লাভজনক দিক
পুকুর সেচে শুকিয়ে মাছ নির্মূল করা অনেক ব্যয়বহুল এবং সময়ের ব্যাপার যা সব সময়
সম্ভব হয়ে ওঠে না। রোটেনন পাউডার ব্যবহার করে খুব অল্প খরচে এবং অল্প সময়ে বিশাল
বড় পুকুর থেকে ক্ষতিকর মাছ সরানো যায়। এটি ব্যবহারের ফলে পুকুরের তলদেশের উপকারী
প্লাঙ্কটন বা প্রাকৃতিক খাদ্যগুলো একেবারে নষ্ট হয়ে যায় না। যেহেতু রোটেনন
ব্যবহারের কয়েক দিন পরেই মাছ ছাড়া যায়, তাই চাষির দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় না।
সঠিক সময়ে রোটেনন প্রয়োগ করে পোনার মৃত্যুহার কমিয়ে আনলে মৎস্য চাষে অনেক বেশি
মুনাফা অর্জন করা সম্ভব। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় অকেজো পুকুরকে চাষযোগ্য করতে
রোটেননই একমাত্র কার্যকর এবং সাশ্রয়ী বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।
৮. প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বাস্তুসংস্থানের ওপর প্রভাব
রোটেনন একটি জৈব বা অর্গানিক উপাদান হওয়ায় এটি মাটির উর্বরতা বা বাস্তুসংস্থানের
কোনো দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করে না। রাসায়নিক কীটনাশক যেমন এন্ড্রিন বা ডাইড্রিন
বছরের পর বছর মাটিতে থেকে যায়, রোটেনন সেদিক থেকে অনেক বেশি নিরাপদ। এটি পানিতে
থাকা অন্যান্য জলজ পোকা বা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকেও কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে
সাহায্য করে যা পরোক্ষভাবে লাভজনক। সূর্যালোক বা অতিবেগুনি রশ্মির উপস্থিতিতে
রোটেননের অণুগুলো ভেঙে পানি ও কার্বন-ডাই-অক্সাইডে রূপান্তরিত হয়ে যায় অতি দ্রুত।
ফলে পুকুরে প্রাকৃতিকভাবে মাছের খাদ্য বা প্লাঙ্কটন তৈরির প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু
হতে কোনো বাঁধার সৃষ্টি হয় না। পরিবেশবিদগণও রাসায়নিকের বিকল্প হিসেবে রোটেননের
মতো প্রাকৃতিক নির্যাস ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন মাছের আবাসস্থল ঠিক রাখতে।
৯. রোটেনন বনাম অন্যান্য রাসায়নিক বিষ
বাজারে অনেক ধরনের রাসায়নিক বিষ পাওয়া গেলেও রোটেনন তার নিরাপত্তার কারণে
দীর্ঘকাল ধরে সবার পছন্দের শীর্ষে অবস্থান করছে। রাসায়নিক বিষ যেমন গ্যাস
ট্যাবলেট বা ফুরাডান ব্যবহারের পর পুকুরের বিষক্রিয়া কাটতে অনেক ক্ষেত্রে এক
মাসেরও বেশি সময় নেয়। অনেক সময় এসব রাসায়নিক ব্যবহারের ফলে পুকুরের মাটি
দীর্ঘদিনের জন্য বিষাক্ত হয়ে যায় এবং মাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। রোটেনন
প্রয়োগে মাছের স্বাদ বা গুণের কোনো পরিবর্তন হয় না এবং মাছটি খাওয়ার জন্য
সম্পূর্ণ নিরাপদ বলে গণ্য হয়। রাসায়নিক বিষ প্রয়োগে মারা যাওয়া মাছ খেলে মানুষের
ফুড পয়জনিং হওয়ার ঝুঁকি থাকলেও রোটেননের ক্ষেত্রে তা নেই বললেই চলে। তাই আদর্শ
মৎস্য খামারিরা দীর্ঘস্থায়ী সুফলের কথা চিন্তা করে সবসময় রোটেনন বা ডেরিস
পাউডারই পছন্দ করে থাকেন।
১০. রোটেনন পাউডার সংরক্ষণের সঠিক উপায়
রোটেনন পাউডার ব্যবহারের পাশাপাশি এর সঠিক সংরক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে জানা প্রতিটি
চাষি বা বিক্রেতার জন্য অত্যন্ত জরুরি বিষয়। এটি সরাসরি সূর্যালোক বা আর্দ্রতা
থেকে দূরে কোনো ঠান্ডা ও শুষ্ক জায়গায় সিল করা অবস্থায় রাখা উচিত। বাতাসের
সংস্পর্শে থাকলে বা প্যাকেট খোলা থাকলে রোটেননের কার্যকারিতা ধীরে ধীরে কমে যায়
এবং এটি কাজ করে না। সাধারণত তৈরির তারিখ থেকে এক বছরের মধ্যে রোটেনন ব্যবহার করা
সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়ার জন্য সহায়ক হয়। যদি পাউডারের রঙ পরিবর্তন হয়ে যায় বা দলা
পাকিয়ে যায়, তবে বুঝতে হবে এর গুণমান আগের মতো নেই। শিশুদের নাগালের বাইরে এবং
খাদ্যদ্রব্য থেকে দূরে কোনো নিরাপদ স্থানে এটি লেবেল লাগিয়ে সংরক্ষণ করা উচিত।
১১. রোটেনন ব্যবহারের মাধ্যমে টেকসই মাছ চাষ
আধুনিক মৎস্য বিজ্ঞানে টেকসই বা সাসটেইনেবল পদ্ধতি অনুসরণ করা বর্তমানে
বিশ্বব্যাপী এক প্রধান দাবি ও লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোটেনন ব্যবহার করে পুকুর
প্রস্তুতি করা সেই টেকসই কৃষি বা মৎস্য চাষের একটি অবিচ্ছেদ্য এবং অত্যন্ত
কার্যকর অংশ। এটি ব্যবহার করলে যেমন মাছের কোনো রাসায়নিক অবশিষ্টাংশ থাকে না,
তেমনি পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকে দীর্ঘকাল। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মাছ চাষের
প্রসার ঘটাতে রোটেননের সঠিক মাত্রার জ্ঞান তৃণমূল পর্যায়ের চাষিদের কাছে পৌঁছানো
দরকার। নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে রোটেননের সুবিধাগুলো তুলে ধরলে মাছের উৎপাদন
যেমন বাড়বে, তেমনি মানুষও নিরাপদ মাছ পাবে। শেষ পর্যন্ত রোটেনন আমাদের প্রাকৃতিক
জলাশয় রক্ষা এবং আমিষের চাহিদা মেটাতে এক নীরব বিপ্লব ঘটিয়ে যাচ্ছে।
উপসংহার
পরিশেষে বলা যায়, পুকুর ব্যবস্থাপনায় রোটেনন পাউডার এক অপরিহার্য ও বৈজ্ঞানিক
বন্ধু। এর সঠিক প্রয়োগে পুকুর থেকে ক্ষতিকর প্রাণী নির্মূল করা যায় খুব সহজেই।
এটি পরিবেশবান্ধব এবং দ্রুত নিঃশেষিত হওয়ার গুণের কারণে মৎস্য চাষিদের আস্থা
অর্জন করেছে। রোটেনন ব্যবহারের মাধ্যমে পোনার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
সম্ভব হয় যা ব্যবসার মূল ভিত্তি। রাসায়নিক বিষের কুফল এড়িয়ে চলতে প্রাকৃতিক এই
উপাদানটি ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই এখন। তবে এর মাত্রা নির্বাচনে এবং প্রয়োগে
চাষিদের সচেতন থাকা এবং নিয়ম মানা জরুরি। সঠিকভাবে রোটেনন ব্যবহার করলে মাছের ফলন
বৃদ্ধি পায় এবং চাষি আর্থিকভাবে লাভবান হয়। আমাদের দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষায়
রোটেননের ভূমিকা সত্যিই অনস্বীকার্য এবং অত্যন্ত প্রশংসনীয় বিষয়। উন্নত
প্রযুক্তির এই যুগে রোটেনন ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা একটি নিরাপদ মৎস্য বিপ্লব আশা
করি। পরিমিত ও সঠিক ব্যবহারে রোটেনন হোক প্রতিটি মৎস্য খামারির সাফল্যের এক অনন্য
ও প্রধান হাতিয়ার।



এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url